পাবনা প্রতিনিধি : পাবনা সদর উপজেলার সাদুল্লাপুর ইউনিয়নের ত্রাস ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি আব্দুল কুদ্দুস মুন্সী ও তার ছেলে সাবেক ছাত্রলীগ নেতা আমির সোহেল মিলন পলাতক রয়েছেন। গত ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা সরকার পতনের পর থেকে তারা গা ঢাকা দিয়েছেন। পিতা আব্দুল কুদ্দুস মুন্সী (৯৯নং আসামী), পুত্র আমির সোহেল মিলন (৯৪নং আসামী) পাবনায় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের কর্মসূচিতে গুলিতে দুই ছাত্রসহ তিনজনের নিহত হওয়ার ঘটনায় মামলার আসামী।
এলাকায় এই পিতা-পুত্রের বিরুদ্ধে অন্যায় ভাবে অপরের জমি দখল করে পুকুর খনন, খাল-বিল দখল, চাঁদাবাজি, অবৈধ ভুমি দখল, তাদের মতের বিরুদ্ধে গেলে হয়ারনি, হুমকী, গ্রাম্য শালিসের নামে চাঁদাবাজি, প্রভাব বিস্তার, বিচারের নামে প্রহসন, গাঁজা চাষ, অস্ত্র ও মাদক ব্যবসা নিয়ন্ত্রণ; আব্দুল কুদ্দুস মুন্সীর বিরুদ্ধে লোহাগড়া স্বরূপপুর দাখিল মাদ্রাসায় অনিয়মতান্ত্রিভাবে সভাপতি হয়ে অর্থের বিনিময়ে শিক্ষক নিয়োগ, অবৈধভাবে মাদ্রাসার গাছ কেটে বাড়ির ফার্নিচার তৈরিসহ বিভিন্ন অভিযোগ রয়েছে।
আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় আসার পর থেকেই এলাকায় তাদের ত্রাসের রাজত্ব কায়েম হয়। এক সময়ের মহিষের রাখাল থেকে আব্দুল কুদ্দুস মুন্সী একের পর এক অন্যায় জুলুম অত্যাচার, দখলের মাধ্যমে কয়েক কোটি টাকার সম্পত্তির মালিক হন। অবৈধ টাকায় গড়ে তুলেছেন গ্রামের বাড়ি চোমরপুরে আলিশান তিন তলা বাড়ি, অঢেল সম্পত্তি।
৫ আগস্ট শেখ হাসিনা সরকার পতনের পর থেকে তাদের অন্যায় জুলম থেকে মুক্তি পেয়েছে এলাকাবাসী। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কাছে এলাকাবাসী অতিদ্রুত পিতা-পুত্রকে গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনার দাবি করেছেন।